‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’র আত্মপ্রকাশ’

মুজিববর্ষে সম্প্রীতি বাংলাদেশ
শেয়ার করুন

বিভাজন দূরের প্রত্যয় ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশের’ আত্মপ্রকাশ’

ধর্মনিরপেক্ষ চেতনার জাগরণের মাধ্যমে বিভাজন দূর করার প্রত্যয় নিয়ে আত্মপ্রকাশ করে নতুন সংগঠন ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’। গত ৭ জুলাই ২০১৮ শনিবার সকাল ১০টায় জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে সংগঠনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। বেশ কিছু দিনের কাজের ধারাবাহিকতায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিসহ সমাজের নানা পেশার শীর্ষস্থানীয়দের এক মঞ্চে আনে সম্প্রতি বাংলাদেশ।

‘গাহি সাম্যের গান’ স্লোগান নিয়ে আসা এই নাগরিক ফোরামের উদ্দেশ্য তুলে ধরে অনুষ্ঠানে এর আহব্বায়ক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের যেই প্রধান চেতনা ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’, সেটার দিকে আমরা ফিরে যেতে চাই। তাহলে আমরা ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ, শোষণহীন বাংলাদেশ ও সাম্যের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।”
তিনি বলেন, “আমাদের আঘাত আসতে পারে, আমরা আগে থেকে প্রস্তত থাকতে চাই। আমরা জানি, এই দেশের অধিকাংশ জনগোষ্ঠী সম্প্রদায়িকতাবিরোধী ও সাম্যের পক্ষে। আমাদের এখন ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আপনাদের সঙ্গে পেলে আমরা জয়ী হব।”

প্রথমত কেন্দ্রীয় আহব্বায়ক কমিটি দিয়ে পরিচালিত হলেও পরবর্তীতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আহব্বায়ক কমিটি গঠনের কাজ করা হবে বলে জানান পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “মানুষের মধ্যে যে ধর্মনিরপেক্ষ চেতনা সেটার মধ্যে আত্মিক সম্পর্ক আমরা তৈরি করতে চাই। আজকে আত্মপ্রকাশ হল। এরপর ডিসেম্বর পর্যন্ত সুধী সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি আমরা হাতে নেব।” এছাড়া সম্প্রদায়িক শক্তির কোনো আঘাত এলে সেটা প্রতিহত করতে নতুন এই সংগঠন প্রস্তুত থাকবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

১২ জন উপদেষ্টা ও ৭৬ জন নির্বাহী সদস্যের এই কমিটির সদস্য সচিব হয়েছেন ডা. মামুন-আল মাহতাব স্বপ্নীল। তাঁর সঙ্গে যুগ্ম আহ্ববায়ক হিসেবে আছেন আরমা দত্ত, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী সিকদার, মোঃ নাসির উদ্দিন আহমেদ, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জন গোমেজ ও ডা. উত্তম বড়ুয়া। জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে সূচনা হওয়া অনুষ্ঠানে অতিথিদের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, ধর্মীয় সংগঠনের কর্মী ও সংস্কৃতিকর্মীদের উপস্থিতিতে পরিপূর্ণ ছিল জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তন।


শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.