শেখ হাসিনা : উপাখ্যান ও বাস্তবতা বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

প্রকাশনা
শেয়ার করুন

শেখ হাসিনা: উপাখ্যান ও বাস্তবতা বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

মিসরীয় লেখক মুহসীন আল আরিশির আরবি ভাষায় লেখা ‘হাসিনা হাকাইক ও আসাতির’ বইয়ের অনুবাদগ্রন্থ ‘শেখ হাসিনা :উপাখ্যান ও বাস্তবতা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘সর্তীর্থ-স্বজন’। এসময় আরেকটি বই উন্মোচন করা হয়। বই দুটি হচ্ছে দেশের বিশিষ্টজনের লেখা সম্মাননা গ্রন্থ ‘তিমির হননের নেত্রী’ এবং মিসরীয় লেখক মুহসীন আল আরিশির আরবি ভাষায় লেখা ‘হাসিনা হাকাইক ও আসাতির’ বইয়ের অনুবাদগ্রন্থ ‘শেখ হাসিনা :উপাখ্যান ও বাস্তবতা’; এই বইটি অনুবাদ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ। বই দুটির প্রকাশক সুবর্ণ প্রকাশনী।

অনুষ্ঠানে জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন লোকগবেষক শামসুজ্জামান খান, শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, ওয়্যার ক্রাইম ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির আহ্বায়ক ড. এম এ হাসান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ূয়া, সাবেক রাষ্ট্রদূত এ কে এম আতিকুর রহমান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুর রহমান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, মিসরীয় সাংবাদিক ও লেখক মুহসীন আল আরিশি, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী প্রমুখ। আয়োজক সংগঠনের পক্ষে স্বাগত বক্তব্য দেন সম্প্রীতি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক মেজর জেনারেল (অব.) একে মোহাম্মদ আলী শিকদার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত রফিকুল ইসলাম বলেন, ১৯৬৭ সালে ছাত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার সঙ্গে পরিচয়। ১৯৮১ সালে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর পরিচয় হয় রাজনীতিবিদ হিসেবে। শেখ হাসিনা উপযুক্ত পিতার উপযুক্ত কন্যা। তার হাতকে শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

আতিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশের ভরসার প্রতীক শেখ হাসিনা। বদলে যাওয়া বাংলাদেশের প্রতীকও তিনি। তার সময়ে মাথাপিছু আয়, প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। বেড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন, রফতানি আয়, রেমিট্যান্স, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। এভাবেই তার নেতৃত্বে এশিয়ার সাফল্যময় গল্পের দেশে পরিণত হতে চলেছে বাংলাদেশ।

রামেন্দু মজুমদার বলেন, বঙ্গবন্ধুর পরে এই বাংলাদেশে রাষ্ট্র পরিচালনায় শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। বিশ্ব নেতৃত্বের প্রথম কাতারেই উচ্চারিত হচ্ছে তার নাম।

মিসরের সাংবাদিক মুহসীন আল আরিশি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বই লেখা প্রসঙ্গে বলেন, ১৯৭৫ সালে শেখ হাসিনাকে নিয়ে বই লিখতে অনুপ্রাণিত হন তিনি। এর পরেই তিনি অনুধাবন করেন সবাইকে হারানোর পরও কীভাবে শেখ হাসিনা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বইটি লেখার পর পক্ষে-বিপক্ষে অনেক মতামত পেয়েছেন জানিয়ে মুহসীন আল আরিশি বলেন, বর্তমানে আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দক্ষ নেতৃত্বের কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনুসরণ করছে।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে শেখ হাসিনার কর্মজীবন নিয়ে নির্মিত ‘তিনি’ নামে এক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সম্প্রীতি বাংলাদেশ কেন্দ্রিয় কমিটির আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানের সূচনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের দুটি কবিতা আবৃত্তি করেন রুপা চক্রবর্তী ও ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

প্রকাশকাল: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮।


শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.