এসব সভা-সমাবেশ, সেমিনার, গোলটেবিল আলোচনা ও সম্প্রীতি থেকে প্রাপ্তি

কার্যক্রম পাতা
শেয়ার করুন

হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ক্রমাগত নেতিবাচ প্রচারণার কারণে হতোদ্যম হয়ে পড়া ধর্মীয় সংক্যালঘুু সম্প্রদায় সম্প্রীতি বাংলাদেশ নতুন আশার বাণী নিয়ে গেছে। সমাজে, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে সম্প্রীতি বাংলাদেশ বিশেষ সাড়া জাগাতে পেরেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আমরা প্রচুর সাড়া পাওয়া গেছে। ঢাকার বাইরে মানুষের মধ্যে বিপুল উৎসাহ লক্ষ করা গেছে। সম্প্রীতি বাংলাদেশ মনে করেছে, নির্বাচনের আগে ঘাপটি মেরে থাকা ধর্মান্ধ, সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রুখে দিতে সমাজের সর্বস্তরে ঐক্য প্রয়োজন ছিল। সেই ঐক্য গড়ে তোরার কাজটি সাফল্যের সঙ্গে করেছে সম্প্রীতি বাংরাদেশ। ধর্মের দোহাই দিয়ে যারা আমাদের মুক্তিযদ্ধের আদর্শ জলাঞ্জলি দিতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে সর্বস্তরের মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছে। নির্বাচনের আগে সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আমরা মানুষের কাছে গিয়ে সম্প্রীতি বাংলাদেশ স্পষ্টভাবে উচ্চারণ করেছে, ‘আমার ভোট আমি দেব, তবে অবশ্যই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে দেব’। সম্প্রীতি বাংলাদেশ বলেছে, তরুণ ভোটার প্রথম ভোট স্বাধীনতার পক্ষে হোক। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এর জোরালো প্রভাব পড়েছে। সাধারণ ভোটারদের, বিশেষ করে ধর্মীয় সংখ্যালঘুর সম্প্রদায়ের মানুষের সংশয় দূর হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *