আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী: জীবদ্দশায় যিনি কিংবদন্তি

প্রবন্ধ পাতা
শেয়ার করুন

  • আবদুল মান্নান

সাংবাদিক, সাহিত্যিক, নাট্যকার, সম্পাদক, ভাষাসৈনিক আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীকে চেনেন না তেমন মানুষ বাংলাদেশে পাওয়া কঠিন। তবে আমি যাদের কথা বলছি তাদের মধ্যে নতুন প্রজন্মের মানুষ কম হতে পারে এবং তা স্বাভাবিকও। কারণ, বর্তমান প্রজন্ম, যাদের আমরা শিক্ষিত বলে থাকি তারা অনেকটা বিসিএস আর করপোরেট জগতের প্রজন্ম, তাদের আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর মতো মানুষদের কথা না জানলেও চলে। তবে এই না জানার দায়টা যত না তাদের তার চেয়েও গলদটা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা বুদ্ধিবৃত্তিক সংস্কৃতিকে লালন করে না, করে কীভাবে ভালো চাকরি পাওয়া যায় তাকে অথবা কত সহজ পথে ধনী হওয়া যায় তার মন্ত্রকে। বছরে একবার আমাদের ভাষা দিবস বা মাতৃভাষা দিবস অথবা শহীদ দিবস আসে ২১ ফেব্রুয়ারিতে। সেদিন দেশের মাদ্রাসা ছাড়া সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই দিনটি পালিত হয়, প্রভাত ফেরি হয়, শহীদ মিনারে একুশের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয় আর ভোরে যে প্রভাত ফেরি হয় যেখানে আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর ১৯৫২ সালে লেখা ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ একুশে ফেব্রুয়ারি গানটা গাওয়া হয়। সেই কালজয়ী গানের রচয়িতা আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী লন্ডনের একটি হাসপাতালে গত বৃহস্পতিবার আমাদের ছেড়ে চিরদিনের মতো চলে গেলেন।

পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে উর্দুর সঙ্গে সঙ্গে বাংলাকেও সাংবিধানিকভাবে গ্রহণ করার দাবিতে ১৯৫২ সালে বর্তমান ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সামনে ছাত্র মিছিলে গুলি করলে সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার, সফিউর (পরদিন নিহত) গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় আর হতাহত হয় অনেকে।

ফিরে যাই একটু পেছনে। জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে সৃষ্টি হলো এক অদ্ভুত রাষ্ট্র পাকিস্তান। মাঝখানে আবার ভারত হাজার মাইলের ব্যবধান সৃষ্টি করেছে পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে। দুই অংশের মানুষ নাকি এক জাতি, মুসলমান, যদিও পশ্চিম অংশের পাকিস্তানের মুসলমানদের নিজেদের চিন্তাচেতনার মধ্যে অনেক ফারকা। কেউ সুন্নি তো কেউ শিয়া। আবার কেউ বা বোহরা। অনেক অনেক ইসমাইলি সম্প্রদায়ের মানুষ। এদের একে অন্যকে মুসলমান বলে অনেক সময় স্বীকার করে না। পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা বলে যিনি নিজেকে দাবি করতেন সেই মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ আবার নিজে ইসমাইলি সম্প্রদায়ভুক্ত, যাদের বলা হয় খোঁজা। জীবনে নামাজ পড়েছেন তেমনটা কেউ দাবি করেন না, নিজেও না। সেই পাকিস্তান গোত্র আর সম্প্রদায় ভেদে বহুধা বিভক্ত। ভাষা আছে ডজন খানেক। উর্দু জানে তামাম পাকিস্তানের ছয় ভাগ মানুষ, তাও আবার প্রায় সকলে ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ হলে ভারত থেকে মোহাজের হয়ে এসেছেন। অন্যদিক বর্তমান বাংলাদেশে, তখন পূর্ব পাকিস্তান, সেই হাজার বছর ধরে একটি একক সম্প্রদায়ভুক্ত, কথা বলে বাংলায়, সাংস্কৃতিক বিভাজনটা খুবই ক্ষীণ। সঙ্গে আছে কিছু ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠী। হাজার বছর ধরে সকলে মিলে মিশে থেকেছে। দেশের নব্বই ভাগ মানুষ বাংলায় কথা বলে। ভারতবর্ষের সেই অংশটি যখন ধূর্ত রাজনীতিবিদদের খপ্পরে পড়ে পাকিস্তানের অংশ হয়ে গেলো তখনও পাকিস্তানের চুয়ান্ন ভাগ মানুষ বাংলায় কথা বলে। সেই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের কর্তারা ঠিক করলেন দেশটির ভাষা হবে উর্দু। কারণ, তাদের ভাষায় উর্দু হচ্ছে মুসলমানদের ভাষা, যদিও এই ভাষার বয়স চার শত বছরের বেশি নয়। পুরো আরব দুনিয়ার কেউ উর্দু বলে না। তাদের এই মাথা মোটা রাজনৈতিক নেতারা ইসলাম থেকে খারিজ করে দিলেন স্রেফ উর্দু না জানার কারণে। তাদেরই একজন মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ ঢাকায় এসে ঘোষণা করলেন পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু। ঢাকার মানুষ আর বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আওয়াজ তুললো ‘কখনোই না। রাষ্ট্রভাষা যদি হতেই হয় তাহলে তা হবে বাংলা’। আর রাষ্ট্রভাষা থাকতে হবে তারও কোনও বাধ্যবাধকতা নেই।

যুক্তরাষ্ট্র বা ভারতসহ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই কোনও রাষ্ট্র ভাষা নেই, আছে মাতৃভাষা। আর মজার কথা হচ্ছে, জিন্নাহ নিজে তাঁর মাতৃভাষা গুজরাতি ও ইংরেজি ছাড়া অন্য কোনও ভাষা জানতেন না। সেই থেকে বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষা করার দাবিতে ছাত্ররা দাবি করে আসছে, যার একটি পরিণতি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি।

আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী নিকটজনের কাছে গাফ্‌ফার ভাই, জন্মেছিলেন বরিশাল জেলার উলানিয়া গ্রামের এক ক্ষয়িষ্ণু জমিদার বংশে। (‘আত্মকথনে সময় ও সৃজনকথা’, ঊর্মি রহমান)।

পড়ালেখা শুরু করেছিলেন মাদ্রাসায়। পরে এ কে ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৫০ সালে ম্যাট্রিক পাস করে ঢাকায় এসে ঢাকা কলেজে ভর্তি হন। তখন ঢাকা কলেজ ছিল বর্তমান পুরানো ঢাকার ‘আলু বাজারে’। সেই কলেজ থেকেই গাফ্‌ফার ভাই রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। যেদিন গুলি চলেছিল সেদিন গাফ্‌ফার চৌধুরী মিছিলের শেষের দিকে ছিলেন। ছাত্রনেতারা ঠিক করে দিয়েছিলেন সিনিয়র ছাত্রনেতারা সামনে থাকবেন আর পেছনের দিকে থাকবেন জুনিয়র ছাত্র কর্মীরা। গুলি আর টিয়ার গ্যাসের ঝাঁজে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে গিয়েছিল। পরে তিনি (জাতীয় অধ্যাপক) রফিকুল ইসলাম ও শফিক রেহমানের (যায়যায়দিন) কাছ থেকে জানতে পারেন গুলিতে আহত ও নিহত বেশ কিছু ছাত্র ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালের ভেতরে আছে। গাফ্‌ফার ভাই ভেতরে গিয়ে দেখেন অনেক ছাত্র আহত অবস্থায় বারান্দায় পড়ে আছে।

ফ্লোরে পড়েছিলেন গুলিতে নিহত রফিক (অনেক পরে তিনি জেনেছিলেন আসলে তা ছিল বরকতের লাশ)। এসব দৃশ্য দেখে গাফ্‌ফার চৌধুরী বেশ আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি তাঁর সাইকেলটা নিয়ে কলেজ হোস্টেলের দিকে রওনা দেন। সাইকেলে ফিরতে ফিরতে তিনি গুন গুন করে গাইতে থাকেন সেই বিখ্যাত গানের দুটি কলি ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো, একুশে ফেব্রুয়ারি’ (আত্মকথন..)। বলতে গেলে তাঁর সাইকেলেই এই গান রচনার সূত্রপাত। সেই রাতে কলেজের হোস্টেল থেকে ছাত্রদের বের করে দেওয়া হয়। গাফ্‌ফার ভাইয়ের আশ্রয় মেলে বংশাল রোডের দাউদ খান মজলিশের চিলেকোঠার আশ্রয়স্থলে। দাউদ খান মজলিস ছিলেন তাঁর সময়ের একজন বড়মাপের সাংবাদিক। সেই চিলেকোঠায় বসে গাফ্‌ফার ভাই তাঁর কবিতার আরও ক’টা লাইন রচনা করেন। এরপর ওঠেন বেচারাম দেউরির বন্ধু শফিক রেহমানের বাসায়। শফিক রেহমানের পিতা সাঈদুর রহমান কলকাতায় ইসলামিয়া কলেজে বঙ্গবন্ধুর শিক্ষক ছিলেন। শফিক রেহমানের সঙ্গে ক’দিন কাটান। সেখানেই গাফ্‌ফার ভাই সেই বিখ্যাত গান বা কবিতাটি শেষ করেন। এটি কিন্তু একটা বিরল দৃষ্টান্ত। গাফ্‌ফার ভাইয়ের এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় একটি লিফলেট হিসেবে। অন্যদিকে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি গুলি চালানোর ঘটনার পরপরই এই গুলির প্রথম প্রতিবাদী কবিতা লেখা হয়, যা রচনা করেন চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক কর্মী মাহবুবুল আলম চৌধুরী। তিনি জলবসন্তে আক্রান্ত হওয়ার কারণে সেই কবিতা ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি..’ চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘি ময়দানে এক প্রতিবাদী সমাবেশে পড়ে শোনান হারুনুর রশিদ (পরবর্তীকালে শ্রমিক নেতা)। গাফ্‌ফার ভাইয়ের এই কবিতা ১৯৫৩ সালে প্রথমবারের মতো সুরকার আবদুল লতিফের সুরে গাওয়া হয়। এরপর তাতে সুর দেন সুরকার আলতাফ মাহমুদ (১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক হত্যা করা হয়)। ১৯৫৩ সালে সাহিত্যিক হাসান হাফিজুর রহমান কর্তৃক প্রকাশিত হয় একুশের প্রথম সংকলন। তাতে আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর নামে তাঁর কবিতাটি প্রথমে প্রকাশিত হয়। সেই থেকে এই কালজয়ী গানটি হয়ে ওঠে একুশে ফেব্রুয়ারি প্রভাত ফেরির গান। এই গানটি বিশ্বের প্রায় দশ থেকে বারোটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। গাফ্‌ফার ভাই সাংবাদিকতা করেছেন, কবিতা, উপন্যাস লিখেছেন, নাটক লিখেছেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ষড়যন্ত্র নিয়ে লিখেছেন নাটক ‘পলাশি থেকে ধানমন্ডি’ যা তিনি মঞ্চায়ন করেছেন, টিভি ছবি করেছেন। বানাতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি ছবি। চিন্তা করেছিলেন ভারতের প্রখ্যাত অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনকে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করাবেন। কিন্তু অর্থ জোগাড় করতে পারেননি বলে শেষ পর্যন্ত ছবিটি হয়নি।

ঢাকায় সাংবাদিক জীবন শুরু করার পর কিংবদন্তিতুল্য অনেক সম্পাদক ও সাংবাদিকের সান্নিধ্যে এসেছেন তিনি, যাদের মধ্যে ছিলেন মওলানা আকরম খান, মুহাম্মদ নাসিরউদ্দিন, তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, জহুর হোসেন, ওবায়দুল হক সরকারের মতো ব্যক্তিরাও। সাংবাদিক থেকে সম্পাদক হয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে সপরিবারে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে প্রবাসী সরকারের মুখপাত্র ‘জয় বাংলা’ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। কলাম লিখেছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত বাংলা দৈনিক ‘আনন্দবাজার’ আর ‘যুগান্তরের’ জন্য। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখেছেন। দেশ স্বাধীন হলে দেশে ফিরে আবার সাংবাদিকতা পেশায় ফিরে গেছেন। সম্পাদনা করেছেন ‘দৈনিক জনপদ’। বঙ্গবন্ধুর অত্যন্ত আস্থাভাজন হওয়া সত্ত্বেও তিনি বঙ্গবন্ধুর কোনও কোনও সিদ্ধান্তকে সমালোচনা করতে ভোলেননি। বঙ্গবন্ধুর দু’কন্যাকে তিনি ‘মা’ বলে ডাকেন কিন্তু শেখ হাসিনার কোনও কাজের সঙ্গে তিনি একমত হতে না পারলে তারও সমালোচনা করতে ভোলেননি। একজন আপাদমস্তক অসাম্প্রদায়িক আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী সরকারের সঙ্গে হেফাজতের নৈকট্যকে মেনে নিতে পারেননি। বলেছেন, হেফাজতিরা কখনও আওয়ামী লীগের সমর্থক হতে পারে না। তবে তারা সুবিধাভোগী হবেন শতভাগ।

তিনি অকপটে লিখেছেন, শেখ হাসিনা এখন কিছু তাঁবেদার আর কর্তাভজা দ্বারা পরিবেষ্টিত, যাদের একমাত্র উদ্দেশ্য নিজের আখের গোছানো। দেশের আমলাতন্ত্রের বিরুদ্ধে কলম ধরেছেন।

স্ত্রীর অসুস্থতার কারণে গাফ্‌ফার ভাই ১৯৭৪ সাল থেকে লন্ডন প্রবাসী। কিন্তু কখনও তাঁর ভেতর থেকে বাঙালিত্ব যায়নি। বাংলা নামের দেশটাকে ধারণ করে রেখেছেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত। প্রথম দিকে লন্ডনে তিনি আর্থিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না। দোকানে কাজ নিয়েছেন মাংস কাটার। পরে পত্রিকার সম্পাদক হয়ে বাংলা আর বাঙালির কথা বলেছেন। অকপটে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণের কথা লিখেছেন দেশের প্রায় অর্ধডজন পত্রিকায় নিয়মিত মৃত্যুর দু’মাস আগে পর্যন্ত। একমাস আগেও হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে দেশের এক ওবিনারে কথা বলেছেন । টিভিতে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।

এক জীবনে আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী যা পেয়েছেন তা খুব কম মানুষের ভাগ্যেই ঘটে। জীবদ্দশায় তিনি কিংবদন্তি হয়েছেন। যতদিন বাংলা আর বাঙালি থাকবে, যতদিন একুশে ফেব্রুয়ারি পালন করা হবে, যত দিন এই দিনটিকে ঘিরে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গাওয়া হবে, ততদিন পর্যন্ত আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর নাম ও কর্ম ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে। আর বর্তমানে জাতিসংঘ তো এই দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

গাফ্‌ফার ভাই আপনি যেখানেই থাকুন শান্তিতে থাকুন। বাঙালি জাতির কাছে আপনি ছিলেন সম্ভবত শেষ বাতিঘর। করোনাকালে আমাদের অনেক বাতিঘর নিভে গেছে। আপনার কাজই আপনাকে অমর করে রাখবে। দুঃখ একটাই, আগামীতে যদি লন্ডন যাই আপনার শহরতলির এজওয়ারের বাসায় আর যাওয়া হবে না। ঘণ্টাখানেক গল্প করার পর আর আপনি তাড়া দেবেন না বাইরে খেতে যেতে। আমার কোনও সাক্ষাৎকার নিয়ে কোনও পত্রিকায় তা ছাপবেন না, যা আপনি করেছিলেন ১৯৯৮ সালে লন্ডনের এক বাংলা পত্রিকায়। আপনার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

 

লেখক: বিশ্লেষক ও গবেষক

প্রকাশকাল: ২৩ মে ২০২২, বাংলা ট্রিবিউন


শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *